চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নতুন নিয়ম ২০২৬ (আবেদন ফি ও কাগজপত্র)

আজকের পোস্টে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নতুন নিয়ম, ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফি এবং ২০২৬ সালে কী কী কাগজপত্র দরকার হবে সেগুলো জানবো। বর্তমানে বাংলাদেশের সরকারি অনেক সেবা ডিজিটাল হয়ে গেছে এখন অনলাইনের মাধ্যমে আমরা সরকারি সেবা গ্রহন করতে পারছি।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নতুন নিয়ম ২০২৬ (আবেদন ফি ও কাগজপত্র)

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নতুন নিয়ম

আসুন প্রথমেই আমরা জেনে নিই ট্রেড লাইসেন্স কী? সহজভাবে যদি আমরা বলি ট্রেড লাইসেন্স হলো আপনার ব্যবসার রাষ্ট্র প্রদত্ত আইনি অনুমতিপত্র। 

বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হলে অবশ্যই স্থানীয় ইউনিয়ন, পৌরসভা বা সিটি কর্পোরেশন থেকে ট্রেড লাইসেন্স করে নিতে হবে।

আপনি যেকোনো ধরনের ব্যবসা করেন না কেনো ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করা বাধ্যতামূলক। নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে আবেদন করার মাধ্যমে এই ট্রেড লাইসেন্স পাওয়া যায়। 

১ বছর পর পর ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করতে হয় সরকারের বেঁধে দেয়া ফি পরিশোধ করার মাধ্যমে। ট্রেড লাইসেন্সের মেয়াদ এক অর্থবছর হয়ে থাকে যায় অর্থ হলো ১ জুন থেকে পরের বছরের ৩০ জুন। 

আপনি যদি চট্টগ্রাম এলাকায় বৈধভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ট্রেড লাইসেন্স করে বৈধ ভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে হবে। 

যদি ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া ব্যবসা পরিচালনা করেন তাহলে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ভ্রাম্যমাণ আদালত বা ম্যাজিস্ট্রেট আপনাকে মোটা অংকের জরিমানা করতে পারে এবং আইনানুসারে আপনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে পারে।

তাই আপনি যদি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এ ব্যবসা করতে চান তাহলে নির্দিষ্ট নিয়মে আবেদন ফি জমা দিয়ে ট্রেড লাইসেন্স করে নিবেন অন্যথায় আইনি জটিলতায় পড়বেন।

পূর্বের সময়ে ম্যানুয়াল পদ্ধতিতে ট্রেড লাইসেন্স করতে হতো যার ফলে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে সিটি কর্পোরেশনে আবেদন জমা দিতে হতো ভুল হলে আবার পুনরায় আবেদন পত্র জমা দেয়া লাগতো। 

এছাড়া একসাথে অনেকগুলো আবেদন পত্র জমা পড়ার কারণে ম্যানুয়াল ভাবে যাচাই-বাছাই করে ট্রেড লাইসেন্স ইস্যু করাতে অনেক দিন সময় লাগতো এবং অনেক বিড়ম্বনার শিকার হতে হতো।

কিন্তু এখন আর আগের সময় নাই এখন অনলাইনের মাধ্যমে বাসাতেই ট্রেড লাইসেন্সের আবেদন করা যায়। যার কারণে সিটি কর্পোরেশনে অতিরিক্ত ভিড় যেমন কমেছে তেমন কাজের স্বচ্ছতা অনেক বেড়েছে। 

এখন আর আগের মতো সিটি কর্পোরেশনে বার বার যাওয়া লাগে না ট্রেড লাইসেন্স হয়েছে কিনা জানতে। অনলাইনে আবেদন করার পরে মোবাইলে মেসেজ বা পোর্টালের মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয় কবে ট্রেড লাইসেন্স সংগ্রহ করতে পারবেন।

আগে অনেকসময় কয়েক মাস পর্যন্ত সময় লেগে যেতো ট্রেড লাইসেন্স করতে গিয়ে কিন্তু বর্তমানে খুব অল্প সময়ে অনলাইনে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করে সংগ্রহ করা যায়।

ট্রেড লাইসেন্স আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

আপনি যখন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করবেন তখন বেশকিছু কাগজপত্র সাবমিট করার প্রয়োজন হবে। নিচে সেগুলো দেয়া হলোঃ

সাধারণ ব্যবসার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ আপনি যদি একটি সাধারণ ব্যবসা যেমন দোকান নিয়ে ক্রোকারিজ, কসমেটিক্স, কনফেকশনারি বা মুদিখানা এমন ব্যবসার জন্য ট্রেড লাইসেন্স নিতে চান তাহলে আপনার লাগবে-

  • আপনার জাতীয় পরিচয় পত্রের (NID) ফটোকপি।
  • আপনার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্যাক্স পরিশোধের রসিদ। 
  • ভাড়া দোকান হলে সেই ভাড়ার চুক্তিপত্রের কপি। (কমপক্ষে ৩০০ টাকার স্ট্যাম্পে চুক্তিপত্র হতে হবে)
  • ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে TIN সার্টিফিকেট। 

লিমিটেড কোম্পানির জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্রঃ সাধারণ ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের থেকে লিমিটেড কোম্পানির ট্রেড লাইসেন্স করতে কিছু কাগজপত্র বেশি লাগে যেগুলো হলো-

  • কোম্পানির সার্টিফিকেট অফ ইনকরপোরেশন।
  • MOA এবং AOA এর কপি।
  • কোম্পানির পরিচালকদের তথ্য।
  • কোম্পানির টিন সার্টিফিকেট।
  •  পরিচালকদের জাতীয় পরিচয় পত্র বা NID কার্ড। 
  • অফিসের ঠিকানার প্রমাণ পত্র যেমন, ভাড়ার চুক্তিপত্র।

বিশেষ কিছু ব্যবসায় পরিবেশ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র দরকার হয়ে থাকে এছাড়া ওষুধ জাতীয় পণ্য বিক্রয়ের জন্য ড্রাগ সার্টিফিকেট দরকার হয়।

ঘরে বসেই চসিক (CCC) ই-ট্রেড লাইসেন্স আবেদনের সহজ ধাপসমূহ

আমরা চট্টগ্রাম যারা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করতে চাই সকলকে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অনলাইন পোর্টাল থেকে ট্রেড লাইসেন্স এর আবেদন করে ট্রেড লাইসেন্স করে নিতে হবে। নিচে ধাপে ধাপে অনলাইনে ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নিয়ম দেয়া হলো।

ধাপ-১ঃ প্রথমেই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে সিটিজেন পোর্টাল থেকে অ্যাকাউন্ট করে নিন। অ্যাকাউন্ট খুলুন

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নিয়ম

ধাপ-২ঃ আপনার সিটিজেন পোর্টাল অ্যাকাউন্ট খোলা হলে লগ-ইন করলে ড্যাসবোর্ডে চলে আসবেন। এখানে মেনুতে চাপ দিলে তিনটি অপশন পাবেন সেখান থেকে তৃতীয় অর্থাৎ ট্রেড লাইসেন্স অপশনে চাপ দিন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নতুন নিয়ম ২০২৬)

ধাপ-৩ঃ এবার এখানে ট্রেড লাইসেন্স সম্পর্কিত ৮ টি অপশন দেখতে পাবেন কোথাও চাপ না দিয়ে তৃতীয় নাম্বার অপশনে চাপ দিন অর্থাৎ নতুন ট্রেড লাইসেন্সের জন্য আবেদন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন সিটিজেন পোর্টাল

ধাপ-৪ঃ এই অংশে আপনি আপনার কাঙ্খিত চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার জন্য ফর্ম পেয়ে যাবেন। খুব মনোযোগ দিয়ে প্রতিটি অপশন পড়ে পড়ে সঠিক ভাবে তথ্য দিয়ে পুরো ফর্ম পূরণ করুন।

ফর্ম পূরণ করার পরে আপনি নিজে নিজে প্রিভিউ অপশনে গিয়ে সকল তথ্য সঠিক দিয়েছেন কিনা তা চেক করে নিবেন এবং সাবমিট করে দিবেন।
ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফর্ম


ধাপ-৫ঃ এবার আপনার আবেদনটি চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) এর দায়িত্ব প্রাপ্ত একজন যাচাই-বাছাই করবে যদি সফলভাবে এপ্রুভ হয়ে যায় তাহলে আপনার মোবাইলে মেসেজ চলে আসবে। এবার আপনার ব্যবসার উপর নির্ধারিত ফি ভ্যাটসহ প্রদান করে নিজের ট্রেড লাইসেন্স বুঝে নিতে হবে।

২০২৬ সালের নতুন ট্রেড লাইসেন্স ফি ও ট্যাক্স চার্ট

৩১ জানুয়ারি ২০১৬ সালে বাংলাদেশ সরকার একটি গ্যাজেট প্রকাশ করে যেখানে সিটি কর্পোরেশনে ট্রেড লাইসেন্স ফি স্পষ্ট ভাবে উল্লেখ করে দেয়া আছে সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের জন্য। নিচে আমরা ট্রেড লাইসেন্স ফি এর তালিকা দিলাম।

১. লিমিটেড কোম্পানি (চট্টগ্রামসহ সকল সিটি কর্পোরেশন আবেদন ফি)

মূলধনের পরিমাণ আবেদন ফি (টাকা)
০ - ১,০০,০০০ (এক লক্ষ) টাকা ১,৫০০
১,০০,০০০ - ৫,০০,০০০ (পাঁচ লক্ষ) টাকা ২,০০০
৫,০০,০০০ - ১০,০০,০০০ (দশ লক্ষ) টাকা ৩,৫০০
১০,০০,০০০ - ২৫,০০,০০০ (পঁচিশ লক্ষ) টাকা ৪,৫০০
২৫,০০,০০০ - ৫০,০০,০০০ (পঞ্চাশ লক্ষ) টাকা ৫,৫০০
৫০,০০,০০০ - ১,০০,০০,০০০ (এক কোটি) টাকা ৭,৫০০
১,০০,০০,০০০ - ৫,০০,০০,০০০ (পাঁচ কোটি) টাকা ১০,০০০
৫,০০,০০,০০০ বা তার বেশি ১২,০০০

২. ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান (চট্টগ্রামসহ সকল সিটি কর্পোরেশন আবেদন ফি)

প্রতিষ্ঠানের ধরন আবেদন ফি (টাকা)
এনজিও (শাখা অফিস) ৫,০০০
শেয়ার ক্রয়-বিক্রয় প্রতিষ্ঠান (শাখা অফিস) ৩,০০০
মানি এক্সচেঞ্জ ৫,০০০
ঋণদান প্রতিষ্ঠান (শাখা অফিস) ৫,০০০
বীমা (শাখা অফিস) ৫,০০০
তফসিলী ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান ১০,০০০

৩. শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও ট্রেনিং সেন্টার (চট্টগ্রামসহ সকল সিটি কর্পোরেশন আবেদন ফি)

প্রতিষ্ঠানের ধরন আবেদন ফি (টাকা)
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ৫,০০০
বেসরকারি কলেজ/স্কুল (বড়) ৩,০০০
কিন্ডারগার্টেন ২,০০০
ট্রেনিং সেন্টার ১,০০০
কোচিং সেন্টার ১,০০০
কম্পিউটার প্রশিক্ষণ সেন্টার ৫০০

শুধুমাত্র ঢাকা উত্তর, ঢাকা দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের জন্য আবেদন ফি

প্রতিষ্ঠান / ব্যবসার ধরন আবেদন ফি (টাকা)
ট্যানারি কারখানা৫,০০০
লজেন্স ফ্যাক্টরি১,০০০
ব্রেড ও বিস্কুট ফ্যাক্টরি১,০০০
তেল মিল১,০০০
কোল্ড স্টোরেজ৩,০০০
বেভারেজ৪,০০০
চাল, ডাল, আটা, ময়দা, সেমাই বা মশলা ভাঙানো কল (অটো ব্যতীত)১,০০০
মেটালিক১,০০০
ঢালাই কারখানা১,০০০
বরফ কল বা আইসক্রিম ফ্যাক্টরি২,০০০
পার্টস / খুচরা যন্ত্রাংশ১,০০০
সিল্ক ফ্যাক্টরি৩,০০০
মোমবাতি৫০০
কয়েল ফ্যাক্টরি১,০০০
মিষ্টির দোকান (বড়)১,২০০
মিষ্টির দোকান (ছোট)১,০০০
কনফেকশনারি (বড়)২,০০০
কনফেকশনারি (ছোট)১,০০০
হার্ডওয়্যার সামগ্রী১,২০০
স্যানিটারি ওয়্যার (বড়)২,৫০০
স্যানিটারি ওয়্যার (ছোট)২,০০০

ট্রেড লাইসেন্স ফি সম্পর্কিত সরকারি গ্যাজেট টি দেখুন  এখানে বিস্তারিত সকল ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফি জানতে পারবেন।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার উক্ত ফি এর সাথে সরকারের ভ্যাট যুক্ত হবে এবং চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন (চসিক) অনুমোদিত মোবাইল ব্যাংকিং এর মাধ্যমে ফি জমা দিতে পারবেন।

প্রয়োজনীয় লিংক সমূহঃ

সাধারণ জিজ্ঞাসা বা FAQ

প্রশ্ন ১: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স কত বছরের জন্য বৈধ থাকে?

উত্তর: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনসহ দেশের সব সিটি কর্পোরেশনের ট্রেড লাইসেন্স ১ বছরের জন্য ইস্যু করা হয়। প্রতি বছর নির্দিষ্ট ফি জমা দিয়ে নবায়ন করতে হয়।

প্রশ্ন ২: ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে বা লাইসেন্স রিজেক্ট হলে ফি কি ফেরত পাওয়া যায়?

উত্তর: ভুল তথ্য দিয়ে আবেদন করলে বা লাইসেন্স রিজেক্ট হলে ফি ফেরত পাওয়া যায়না। কারন সরকারি ফি সবসময় অফেরতযোগ্য। 

প্রশ্ন ৩: ঘরে বসে লাইসেন্স নবায়ন (Renew) করার নিয়ম কী?

উত্তর: সিটিজেন পোর্টালে গিয়ে ট্রেড লাইসেন্সের বকেয়া ফি পরিশোধ করলে আবার এক বছরের জন্য নবায়ন হয়ে যাবে।

প্রশ্ন ৪: লাইসেন্স করতে কোনো সমস্যা হলে চসিক এর হেল্পলাইনে কীভাবে যোগাযোগ করব?

উত্তর: চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের অফিসিয়াল নাম্বার, মেইলে যোগাযোগ করুন। 

ফোন:০২৩৩৩৩৮৮৮১৭, ০২৩৩৩৩৮৮৮১৮, ০২৩৩৩৩৮৮৮১৯ 

ইমেইল: info@ccc.gov.bd, programmer@ccc.gov.bd ফ্যাক্স:০২৩৩৩৩৮৮৮০৩

শেষকথা

আশা করি আমাদের পুরো পোস্ট পড়ে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করার নতুন নিয়ম জানতে পেরেছেন এবং ট্রেড লাইসেন্স আবেদন ফি কত টাকা সেটিও জেনেছেন। আপনাদের জন্য আমাদের পরামর্শ থাকবে নিজের কম্পিউটার বা মোবাইল ফোন দিয়ে বাসাতেই চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন ট্রেড লাইসেন্স আবেদন করবেন।

দালাল বা তৃতীয় পক্ষ যেমন কম্পিউটারের দোকানে যাওয়া থেকে সাবধানে থাকবেন যেখানে নিজে করতে পারছেন সেখানে দালাল বা তৃতীয় পক্ষের সহায়তা নেয়া মানে আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া।

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের আরো সেবা:

Comments

Popular posts from this blog

মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন ফি কত টাকা ২০২৬

মোটরসাইকেল মালিকানা পরিবর্তন ফি কত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নিয়ম ২০২৬

BRTA বিএসপি অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে রিকভার করার নিয়ম