ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে?

বিআরটিএ ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে? ২০২৬ সালের আপডেট ট্রাফিক নিয়ম, সাইন ও সংকেত এবং ভাইভা বোর্ডে পাস করার জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য উপাত্ত।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে?

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে? (viva question bank)

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে এটি জানার আগে জানা দরকার ভাইভা পরীক্ষা কেনো গুরুত্বপূর্ণ। ড্রাইভিং লাইসেন্স করতে মোট তিনটি ধাপে পরীক্ষা দিতে হয়।
  • লিখিত পরীক্ষা। 
  • ভাইভা পরীক্ষা। 
  • প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষা 
তিনটি ধাপের মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ভাইভা এবং এই ভাইভা পরীক্ষা থেকেই অনেকে বাদ পড়ে যায়। লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন গুলো গাড়ির যন্ত্রপাতি, টেকনিক্যাল বিষয়, ট্রাফিক আইন এগুলোর উপর হয়ে থাকে এবং পাশ করা অনেকটা সহজ।

প্র্যাকটিক্যাল পরীক্ষায় নিজের ড্রাইভিং স্কিল ভালো থাকলে সহজে পাশ করা যায়। কিন্তু ভাইভা একটু কঠিন হয় সেখানে প্রশ্নের উত্তর ভাবার ও সময় পাওয়া যায়না। যদিও প্রশ্ন আসে লিখিত পরীক্ষার মতো একই টপিক গুলোর উপর। অনেকে নার্ভাসনেসের জন্য উত্তর করতে পারেনা।

লিখিত পরীক্ষায় অনেক সময় মুখস্থ পড়া দিয়েই পাশ করা যায় কিন্তু ভাইভা মানে বাস্তব জ্ঞান যাচাইয়ের জায়গা তাই মুখস্থ পড়া সব সময় কাজে লাগেনা। আবার পরীক্ষক ভাইভা দেয়া প্রার্থীদের মানসিক অবস্থা সম্পর্কেও ধারনা নিতে চান তাই বাকি দুই ধাপের থেকে ভাইভা পরীক্ষার গুরুত্ব বেশি।

সবসময় পরীক্ষকটরা চাই একটি বিষয় জানতে যে আপনি যেই গাড়িটা চালাবেন সেই গাড়ি চালানোর জন্য আপনি কী মানসিক ভাবে এবং শারীরিক ভাবে ফিট বা সক্ষম কিনা। তাই ভাইভা পরীক্ষা গুরুত্বের সাথে দেখতে হবে।

ট্রাফিক সাইন ও সংকেত সম্পর্কিত প্রশ্ন (সবচেয়ে বেশি যা জিজ্ঞেস করে)

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে তা আমরা এই অংশে ধাপে ধাপে জানবো। ভাইভাতে সবচেয়ে বেশি যা জিজ্ঞেস করে তা হলো ট্রাফিক সংকেত কোনটা দ্বারা কী বুঝায় সেগুলো। ভাইভাতে ট্রাফিক সাইন ও সংকেত গুলি দেখিয়ে জিজ্ঞেস করতে পারে কোনটা কেন সাইন। 

আমরা রাস্তায় চলার সময় দেখি সব জায়গাতে রাস্তার পাশে বিভিন্ন সাইন বা সংকেত দেয়া থাকে যেগুলির নিতে নির্দেশনা দেয়া থাকে। যেমন, সর্বোচ্চ গতি ৪০ কি. মি., পার্কিং নিষেধ, একমুখী রাস্তা, থামুন, ইউটার্ন, ডান দিকে যেতে হবে, ওভারটেকিং নিষেধ ইত্যাদি। 

এমন অনেক গুলি সাইন আছে যেগুলি ভাইভাতে জিজ্ঞেস করে। আপনি ভালো করে সাইনগুলো দেখে নিবেন কোনটা কেন সাইন বা সংকেত বিআরটিএ এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট থেকে।

আপনি বিআরটিএ অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে ট্রাফিক সাইন গুলো ভালোভাবে নিজের আয়ত্তে নিয়ে নিন। নিচে পরীক্ষকদের বেশি জিজ্ঞেসা করা সাইনগুলো দেয়া হলো।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে?

রাস্তার ল্যান্ডমার্ক ও ট্রাফিক লাইটের নিয়ম

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে তা যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন তাহলে আমি আপনাদের বলবো ভাইভা পরীক্ষার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলে রাস্তার ল্যান্ডমার্ক ও ট্রাফিক লাইটের নিয়ম।

রাস্তার মাঝে মানুষ পারাপারের জন্য জেব্রা ক্রসিং থাকে সাদা রংদিয়ে রং করা থাকে। এবং রাস্তার মাঝে সোজা দাগ, কাটা কাটা দাগ, ডাবল সোজা দাগ এগুলো সংকেত থাকে গাড়ি ওভারটেক কোথায় করা যাবে, কোথায় কম রিস্ক আবার কোথায় বেশি রিস্ক।

আবার গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ট্রাফিক লাইট বসানো থাকে যেখানে লাল, হলুদ ও সবুজ লাইটের মাধ্যমে চালকদের নির্দেশনা দেয়া হয়। লাল লাইট যদি জ্বলে তাহলে থেমে থাকতে হয়, হলুদ লাইট মানে পরবর্তী ধাপের জন্য প্রস্তুতি নেয়া এবং সবুজ লাইট চলাচলের নির্দেশ প্রদান করে।

এছাড়াও তীর চিহ্ন ট্রাফিক লাইটের মাধ্যমে পথচারীদের রাস্তা পারাপারসহ ডানে, বামে বা সোজা চলাচলের নির্দেশ প্রদান করে থাকে।
ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে?

নিরাপদ ড্রাইভিং এবং ওভারটেকিং এর নিয়ম

গাড়ি চালানোর সময় সবসময় আমাদের নিরাপদে গাড়ি চালাতে হবে। ভাইভাতে নিরাপদে ড্রাইভিং করবেন কিভাবে ওভারটেকিং এর নিয়ম সম্পর্কে জানতে চাইবে। যেমন আপনি যদি ওভারটেকিং করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনাকে ডান দিক থেকে ওভারটেকিং করতে হবে।

অনেক জায়গায় ট্রাফিক সিগনাল দেয়া থাকে ওভারটেকিং নিষেধ নিরাপদ ভাবে গাড়ি চালাতে সেগুলি জায়গায় কখনো ওভারটেকিং করবেন না। বাম দিক দিয়ে ওভারটেকিং সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ। 

গোলচত্বর কীভাবে পার হবেন এ নিয়েও ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় জিজ্ঞেস করে। গোলচত্বর পার হওয়ার নিয়ম হলো গাড়ি বাম দিকে নিয়ে এর পরে গোলচত্বরে প্রবেশ করানো। ঘড়ির কাঁটার উল্টো দিক দিয়ে গোলচত্বর ঘুরে পার হবেন।

এছাড়াও পাহাড়ি আঁকাবাকা রাস্তায় কী করে গাড়ি চালাবেন এমন প্রশ্ন ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় আসতে পারে। 

এমন প্রশ্নের উত্তরে আপনি অবশ্যই বলবেন আঁকাবাকা রাস্তায় সবসময় ব্রেক লিভারে পা দিয়ে গাড়ি চালাবেন সাথে ক্লাচের সঠিক ব্যবহার করতে এবে এবং সরাসরি বাঁকে হর্ণ দিয়ে বাঁক নিতে হবে। আঁকাবাকা পার হওয়ার সময় গাড়ি স্লো করে হর্ণ বাজিয়ে রাস্তায় চলাচল করতে হবে।

আপনার জন্য কিছু প্রয়োজনীয় গাইডলাইনলাইনঃ

গাড়ির মেকানিকাল ও জরুরি পার্টস সচেতনতা

আপনি যদি শুধু মোটরসাইকেল চালানোর ড্রাইভিং লাইসেন্স করেন তাহলে এই অংশ আপনার জন্য অনেক সহজ হতে পারে। মোটরসাইকেলের ক্ষেত্রে কয়েকটি বিষয় জানলেই হয়ে যায় যেমন, কতদিন পর পর ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তন করবেন, এয়ার ফিল্টার, ওয়েল ফিল্টার এগুলো পরিবর্তনের নিয়ম জানলেই ভাইভাতে ভালো রেজাল্ট করতে পারবেন।

আপনি যদি প্রাইভেট কার বা ট্রাক/বাস এর জন্য ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষা দেন তাহলে গাড়ির ড্যাশবোর্ডের ইন্ডিকেটর গুলো সম্পর্কে খুব ভালোভাবে ধারনা থাকতে হবে। এছাড়া ব্রেক ফ্লুইড ও রেডিয়েটরের পানি কতদিন পরপর চেক করতে হয় এগুলো জেনে রাখবেন।

এবার ইমারজেন্সি লাইট জ্বালিয়ে এক সাইডে ব্রেক করতে করতে স্লো করে গাড়ি থামাতে হবে। মনে রাখতে হবে টায়ার পাংচার হলে কখনো ঘাবড়ে যাবেন না স্টিয়ারিংটা শক্ত করে ধরে রাখবেন।

বাংলাদেশের ট্রাফিক আইন ও জরিমানা (আপডেট ২০২৬)

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে তার অনেক অংশ এই পোস্ট পড়ে জানতে পেরেছেন। এই অংশে আমরা ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য প্রয়োজনীয় বাংলাদেশ ট্রাফিক আইন ও জরিমানা সম্পর্কে আলোচনা করবো। 

২০১৮ সালে জাতীয় সংসদে পাশ হওয়া ৪৭ নং আইনে বাংলাদেশের ট্রাফিক আইন ও আইন না মানলে জরিমানা কতো হবে তা স্পষ্ট ভাবে বলা হয়েছে। এই আইনের একাদশ নম্বর অধ্যায়ে ৬৬ নম্বর ধারায় ড্রাইভিং লাইসেন্স ছাড়া গাড়ি চালালে অনধিক ২৫ হাজার টাকা এবং অনধিক ৬ মাসের কারাদণ্ডের আদেশ আছে।

ট্রাফিক সাইন ও সংকেত যদি না মানেন তাহলে পরিবহন আইন ২০১৮ এর একাদশ নম্বর অধ্যায়ের ৮৫ নং ধারা অনুযায়ী অনধিক ১০ হাজার টাকা জরিমানা এবং অনধিক ১ মাসের জেল।

এছাড়াও সম্পূর্ন পরিবহন আইন ২০১৮ বিআরটিএ এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে থেকে সম্পুর্ণ দেখে নিন।

ভাইভা বোর্ডে পাস করার প্র্যাকটিক্যাল ৫টি সিক্রেট টিপস

ভাইভা বোর্ডে পাস করার প্র্যাকটিক্যাল ৫ টি সিক্রেট টিপস নিচে দেয়া হলো।

মার্জিত পোশাক ও ড্রেস কোড

ভাইভা বোর্ডে যাওয়ার সময় অবশ্যই মার্জিত পোশাক যেমন শার্ট-প্যান্ট পরিধান করবেন। জিন্সের প্যান্ট পরিধান করা থেকে বিরত থাকবেন এবং ফুল হাতা শার্টের হাত গুটিয়ে ভাইভা বোর্ডে প্রবেশ করবেন না।

সাধারণত বেশি রংবেরঙের কাপড়চোপড় পরে ভাইভা বোর্ডে যাওয়া থেকে বিরত থাকুন। 

পরীক্ষকের রুমে প্রবেশের নিয়ম ও বিনীত আচরণ।

পরীক্ষকের রুমে হটাৎ করে তাড়াহুড়ো করে কখনোই ঢুকবেন না এতে করে পরীক্ষক বিরক্ত প্রকাশ করতে পারে। পরীক্ষকের রুমে প্রবেশ করার সময় প্রথমে অনুমতি নিয়ে প্রবেশ করবেন এবং বসার জায়গা থাকলে যতক্ষণ পরীক্ষক নিজে বসতে না বলবে আপনি নিজে নিজে বসে পড়বেন না।

প্রয়োজনীয় কাগজপত্র (লার্নার কার্ড, এনআইডি) যেভাবে ফাইলআপ করবেন।

ভাইভা পরীক্ষায় প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ভাইভা বোর্ডে যাওয়ার আগেই ভালোকরে চেক করে নিন এবং সকল কাগজপত্র নিজের হাতে নিয়েই প্রবেশ করুন।

প্রশ্ন না পারলে নার্ভাস না হয়ে যেভাবে উত্তর এড়াবেন।

পরীক্ষক এমন কোনো প্রশ্ন করলো যেটা আপনার জানা নাই এমন হলে কখনোই নার্ভাস হবেন না। নার্ভাস না হয়ে বলুন আপনার এই প্রশ্নের উত্তরটি জানা নেই। এটাই যথেষ্ট কারন একজন যে সকল তথ্য জানবে না সেটি পরীক্ষক ভালো করেই জানে তাই নার্ভাস না হয়ে আত্মবিশ্বাসের সাথে কথা বলুন।

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষার প্রশ্ন ব্যাংক (Q&A Table)

প্রশ্নঃ ট্রাফিক সাইন কতপ্রকার ও কী কী?

উত্তরঃ ট্রাফিক সাইন তিন প্রকারের হয়ে থাকে। সতর্ক মূলক, হ্যা বাচক এবং না বাচক।

প্রশ্নঃ পেশাদার লাইসেন্স করতে সর্বনিম্ন কতো বছর বয়স লাগে?

উত্তরঃ পেশাদার লাইসেন্স করতে সর্বনিম্ন ২১ বছর বয়স লাগে।

প্রশ্নঃ গাড়ি দুর্ঘটনা হলে সর্বপ্রথম করনীয় কী?

উত্তরঃ আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

প্রশ্নঃ প্রকাশ্যে সড়কে বা প্রকাশ্য স্থানে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলে কতো টাকা জরিমানা? 

উত্তরঃ ৫০০ টাকা।

প্রশ্নঃ রাস্তার মাঝে ডাবল সলিড লাইন থাকা কী নির্দেশ করে?

উত্তরঃ ওভারটেকিং নিষেধ। 

প্রশ্নঃ রেলক্রসিং কতো প্রকার ও কী কী?

উত্তরঃ রেলক্রসিং ২ প্রকার। ১/ রক্ষিত ২/ অরক্ষিত 

প্রশ্নঃ শীতকালে কুয়াশার মাঝে গাড়ি চালানোর সময় কী করতে হবে?

উত্তরঃ ফগ লাইট জ্বালিয়ে রাখতে হবে।

প্রশ্নঃ আপনার গাড়ির কাগজপত্র কে কে চেক করতে পারবে?

উত্তরঃ ট্রাফিক সার্জেন্ট ও ম্যাজিস্ট্রেট।

প্রশ্নঃ ওভারটেকিং করার সঠিক নিয়ম কী?

উত্তরঃ ডান দিক দিয়ে হর্ণ বাজিয়ে ওভারটেকিং করতে হয়।

প্রশ্নঃ একজন চালক বিরতিহীন ভালো গাড়ি কতো সময় চালাতে পারবেন?

উত্তরঃ ৫ ঘন্টা।

সাধারণ জিজ্ঞাসা FAQ

প্রশ্ন ১: ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় ফেল করলে কি আবার লার্নার করতে হবে?

উত্তরঃ না, লার্নার করতে হবেনা। ভাইভা পরীক্ষায় ফেল করলে বিআরটিএ এর বিদ্যমান আইন অনুযায়ী পুনরায় পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ বা নির্ধারিত আইন অনুযায়ী পদক্ষেপ গ্রহন করতে হবে।

প্রশ্ন ২: ভাইভা পরীক্ষা কি বাংলায় হয় নাকি ইংরেজিতে?

উত্তরঃ ভাইভা পরীক্ষা বাংলায় অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশ্ন ৩: পেশাদার ও অপেশাদার লাইসেন্সের ভাইভা পরীক্ষার প্রশ্ন কি একই হয়?

উত্তরঃ কিছুটা পরিবর্তন হতে পারে তবে বেসিক প্রশ্নগুলো সব এক। 

প্রশ্ন ৪: ভাইভা পরীক্ষার দিন কি ব্যবহারিক (ফিল্ড টেস্ট) পরীক্ষাও হয়?

উত্তরঃ একই দিনে ভাইভা, ব্যবহারিক এবং লিখিত পরীক্ষা হবে কি হবেনা তা নির্ভর করে বিআরটিএ এর নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে একই দিনে হয়ে থাকে তবে এটা নির্ভর করছে আপনি কোন বিআরটিএ অফিসে পরীক্ষা দিচ্ছেন।

শেষকথা

ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষায় কি কি জিজ্ঞেস করে তা আমাদের এই পোস্ট পড়ে জানতে পেরেছেন। আসলে ড্রাইভিং লাইসেন্স ভাইভা পরীক্ষা খুব একটা কঠিন হয়না। 

আত্মবিশ্বাসের সাথে প্রস্তুতি নিয়ে ভাইভা হলে ঢুকবেন আপনাকে যা যা প্রশ্ন করবে সঠিকভাবে দিবেন যেই প্রশ্নের উত্তর দিতে পারবেন না বিনয়ের সাথে বলবেন জানা নেই। আত্মবিশ্বাস কখনো হারাবেন না তাহলে আপনার ভাইভা পরীক্ষা অনেক ভালো হবে। আপনার জন্য শুভকামনা রইল।

বিআরটিএ এর আরো কিছু সেবা দেখে নিনঃ

Comments

Popular posts from this blog

মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন ফি কত টাকা ২০২৬

মোটরসাইকেল মালিকানা পরিবর্তন ফি কত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নিয়ম ২০২৬

BRTA বিএসপি অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে রিকভার করার নিয়ম