২০২৬ সালে বাংলাদেশিদের জন্য কোন কোন দেশের ভিসা খোলা আছে? (ভিসা ফ্রি ও কাজের ভিসার আপডেট গাইড)

বিশ্ব শ্রম বাজারে বাংলাদেশ এখন অনেক শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে এছাড়াও প্রতি বছর লক্ষাধিক ভ্রমণ পিপাসু মানুষ বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। সবার কথা মাথায় রেখে আজকে আলোচনা করবো ২০২৬ সালে বাংলাদেশিদের জন্য কোন কোন দেশের ভিসা খোলা আছে এটি নিয়ে।

২০২৬ সালে বাংলাদেশিদের জন্য কোন কোন দেশের ভিসা খোলা আছে? (ভিসা ফ্রি ও কাজের ভিসার আপডেট গাইড)

২০২৬ সালের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্য বিশ্লেষণ করলে আমরা দেখতে পাই বাংলাদেশের পাসপোর্ট বিশ্বের পাসপোর্ট র‍্যাংকিংয়ে ৯৫ তম পজিশনে অবস্থান করছে। 

এই তথ্যটি আমাদের কাছে শুনতে খুব একটা স্বাচ্ছন্দ্যবোধ না হলেও আমাদের দেশের পাসপোর্ট দিয়ে পৃথিবীর মোট ৩৬ দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করা সম্ভব। এখানে মূলত অন-অ্যারাইভাল ভিসা অথবা ইলেক্ট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশনের মাধ্যমে সম্পূর্ণ ভিসা ছাড়া ভ্রমণ করা যায়।

বাংলাদেশের জন্য বিশ্ব ট্রাভেল বাজার আগের থেকে কম্পলিকেটেড হয়ে গেছে যদিও এখন কাগজের পেপারস এর বদলে অনেক দেশ অনলাইন ভিসা সিস্টেম চালু করেছে। 

কিছু দেশ যেমন, শ্রীলংকা বা মালদ্বীপের মতো রাষ্ট্র তাদের দেশের  জনপ্রিয় স্পটগুলোতে যাওয়ার আগে অনলাইন ট্রাভেল ডিক্লারেশন বা ইটিএ ফর্ম পূরণ করা আবশ্যিক করেছে।

২০২৬ সালে এসে কেউ যেনো ভিজিট ভিসায় কোনো দেশে গিয়ে অবৈধভাবে থাকতে না পারে তাই ইমিগ্রেশন সিস্টেম অনেক কড়াকড়ি করা হয়েছে। 

এখন ইমিগ্রেশনে রিটার্ন টিকিট, ট্রাভেল ইন্স্যুরেন্স, শো-মানি অর্থাৎ হোটেল বুকিং বা খরচের জন্য কাছে পর্যাপ্ত ডলার আছে কিনা এগুলো গুরুত্বপূর্ণ সহকারে চেক করা হয়।

পূর্বের সময়ে এমন অনেক ঘটনা ঘটেছে যে ট্রাভেল ভিসায় একটি দেশে প্রবেশ করার পরে দেশে আর ফিরে আসেনা। উন্নত দেশে একবার যেতে পারলে অবৈধ ভাবে সেখানেই থেকে যায়। 

উন্নত জীবনের আশায় তারা এই কাজটি করে কিন্তু অবৈধ ভাবে থাকায় অনেকে মানবতার জীবন যাপনের পাশাপাশি সেই দেশের আইনের আওতায় অনেককে পড়তে হয়। যার কারণে এখন ইমিগ্রেশন সিস্টেম এতোটা শক্ত করা হয়েছে যাতে অবৈধ ভাবে কেউ কোনো দেশে থেকে যেতে না পারে।

ভিসা ছাড়া কোন কোন দেশে যাওয়া যায় ২০২৬? (ভিসা-ফ্রি ও অন-অ্যারাইভাল তালিকা)

২০২৬ সালের এখন পর্যন্ত পাওয়া খবর অনুযায়ী হেনলি পাসপোর্ট ইনফো এর তথ্য মতে বাংলাদেশিরা ৩৬ টা দেশে ভিসা ছাড়াই ভ্রমণ করতে পারবে। 

তবে এই ভিসা প্রক্রিয়াকে আবার তিন ভাগে ভাগ করে হয়েছে যেগুলি হলো:
  • সম্পূর্ণ ফ্রী ভিসা।
  • অন-অ্যারাইভাল ভিসা।
  • ইলেক্ট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন ভিসা।
বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা ছাড়া কোন কোন দেশে কোন ভিসা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যাওয়া যায় তা নিচে দেয়া হলো:

বাংলাদেশিদের জন্য কোন কোন দেশের ভিসা খোলা আছে সেই তালিকা (২০২৬)

ক্যাটেগরিদেশের নামভ্রমণ শর্ত
সম্পূর্ণ ফ্রি ভিসাভুটান, ফিজি, কুক আইল্যান্ডস, ভানুয়াতু, নিউয়ে, মাইক্রোনেশিয়া, বার্বাডোস, বাহামা, ব্রিটিশ ভার্জিন আইল্যান্ডস, হাইতি, ডমিনিকা, গ্রেনাডা, জ্যামাইকা, সেন্ট ভিনসেন্ট ও গ্রেনাডাইন দ্বীপপুঞ্জ, মন্টসেরাট, ত্রিনিদাদ ও টোবাগোবৈধ পাসপোর্ট ও রিটার্ন টিকিট থাকলেই ভ্রমণ করা যায়।
অন-অ্যারাইভাল ভিসামালদ্বীপ, পূর্ব তিমুর, নেপাল, কেপ ভার্দে, বুরুন্ডি, জিবুতি, কমোরো দ্বীপপুঞ্জ, মাদাগাস্কার, গিনি-বিসাউ, মৌরিতানিয়া, মরিশাস, মোজাম্বিক, রুয়ান্ডা, সেশেলস, সিয়েরা লিওন, সোমালিয়া, টুভালু, টোগো, বলিভিয়াদেশে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দর বা ইমিগ্রেশনে ভিসা প্রদান করা হয়।
ইলেকট্রনিক ট্রাভেল অথরাইজেশন (eTA)শ্রীলঙ্কাভ্রমণের আগে অনলাইনে eTA আবেদন ও নির্ধারিত ফি প্রদান করতে হয়।

গুরুত্বপূর্ণ নোটঃ

ক্যাটেগরিবিশেষ নির্দেশনা
সম্পূর্ণ ফ্রি ভিসাসাধারণত বৈধ পাসপোর্ট ও রিটার্ন টিকিট থাকলেই ভ্রমণ সম্ভব।
অন-অ্যারাইভাল ভিসারিটার্ন টিকিট, হোটেল বুকিংয়ের কাগজপত্র এবং পর্যাপ্ত অর্থ (ডলার) সঙ্গে রাখা উচিত।
eTA (শ্রীলঙ্কা)ভ্রমণের আগে অনলাইনে আবেদন করা আবশ্যিক।

নেপাল যেতে কি ভিসা লাগে?

নেপালে যেতে ভিসার প্রয়োজন হয় কিন্তু বাংলাদেশিদের জন্য সুখবর হলো নেপালে যেতে যাওয়ার পূর্বে কোনো ভিসা করার প্রয়োজন হয়না। নেপালে গিয়ে ইমিগ্রেশনের সময় অন-অ্যারাইভাল ভিসা গ্রহণ করে নেপাল ভ্রমণ করা যায়।

এছাড়া সার্ক ভুক্ত দেশের তালিকায় বাংলাদেশ থাকার কারণে বাংলাদেশিরা নেপালে ৩০ দিন ঘুরার জন্য ফ্রী ভিসা পায়। অর্থাৎ ভিসা লাগবে তবে পূর্বে আবেদন করে নিতে হয়না আবার ৩০ দিনের সম্পূর্ণ ফ্রী ভিসা পাওয়া যায়। তবে ৩০ দিনের ফ্রী ভিসা সুবিধা একজন শুধুমাত্র একবারি গ্রহণ করতে পারবে।

বিমানবন্দরে যা যা দরকার হয়ঃ বিমান থেকে নেপালে নামার পরে আপনাকে প্রথমেই ফর্ম পূরণ করতে হবে এর পরে হোটেল বুকিং এবং বিদ্যমান নিয়ম অনুযায়ী ন্যূনতম ডলার দেখাতে হবে।

(ভিসার নিয়ম পরিবর্তনশীল তাই আবেদনের আগে অবশ্যই নেপালের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আপডেট দেখে নিন)

বাংলাদেশি পাসপোর্টে মালদ্বীপ যেতে কত টাকা লাগে ২০২৬?

বাংলাদেশিসহ গোটা বিশ্বের মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় পর্যটন দেশের মধ্যে মালদ্বীপ অন্যতম। বাংলাদেশিদের জন্য খুশির খবর হলো মালদ্বীপ ভ্রমণের জন্য টাকা দিয়ে ভিসা করতে হয়না।

মালদ্বীপের যাওয়ার পরে বাংলাদেশিরা ৩০ দিনের অন-অ্যারাইভাল ভিসা (Visa on Arrival) গ্রহণ করে থাকে। যদিও এই ভিসা ফ্রী তার পরেও কিছু কড়াকড়ি নিয়ম মানতে হয়। নিচে মালদ্বীপ যাওয়ার নিয়ম ও মালদ্বীপ যাওয়ার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোনগুলো তা আলোচনা করবো।

মালদ্বীপ যাওয়ার নিয়ম

মালদ্বীপ যাওয়ার ৪ দিন আগে আপনাকে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজটি করতে হবে। মালদ্বীপ ভ্রমণের ৯৬ ঘন্টা (৪ দিন) আগে দেশটির অফিসিয়াল ইমিগ্রেশন ওয়েবসাইট IMUGA  তে গিয়ে ট্রাভেল ডিক্লেয়ারেশন ফর্ম পূরণ করতে হবে।

সফল ভাবে ফর্মটি পূরণ করা হয়ে গেলে একটা QR কোড পাবেন যেটি ডাউনলোড করতে হবে। এটি বাংলাদেশের বিমানে উঠার আগে ইমিগ্রেশনে ও মালদ্বীপে নেমে তাদের ইমিগ্রেশনে দুই জায়গাতেই দেখাতে হবে।

মালদ্বীপ যাওয়ার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

মালদ্বীপ ভ্রমণে ফ্রী ৩০ দিনের ভিসা পাওয়া গেলেও তাদের ইমিগ্রেশন খুবই কড়াকড়ি ভাবে সকল কাগজপত্র চেক করে। মালদ্বীপ যাওয়ার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র কোনগুলো তা নিচে দেয়া হলো।
  • সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ হলো বৈধ পাসপোর্ট যার মেয়াদ সর্বনিম্ন ৬ মাস থাকতে হবে। 
  • কনফার্ম করা ফিরতি টিকিট, অর্থাৎ মালদ্বীপ থেকে ফিরে আসার জন্য কনফার্ম করা বিমানের টিকিট থাকা গুরুত্বপূর্ণ এটি ছাড়া ইমিগ্রেশন পার করতে পারবেন না।
  • মালদ্বীপে যে কয়দিন থাকবেন সেই কয়দিনের জন্য হোটেল বুকিং দিয়ে রাখতে হবে।
  • ন্যূনতম রিকোয়ারমেন্ট অনুযায়ী নিজের কাছে ডলার রাখুন। আপনি যে মালদ্বীপ ভ্রমণের সামর্থ্য রাখেন এটি কনফার্ম হয়েই মালদ্বীপে আপনাকে প্রবেশ করতে দিবে।

২০২৬ সালে মালদ্বীপ ভ্রমণ খরচ

মালদ্বীপ ভ্রমণে মোট খরচের সবথেকে বেশি খরচ হয়ে যায় বিমান ভাড়া দিতেই। বাংলাদেশ থেকে মালদ্বীপে সরাসরি এবং কানেক্টেড দুই ধরনের ফ্লাইট পরিচালনা হয়ে থাকে।

সরাসরি ফ্লাইটে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সে ২-৩ মাস আগে যাওয়া আশা মিলিয়ে টিকিট কাটলে ২০২৬ সালের আপডেট ভাড়া অনুযায়ী ৪৫ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা লাগবে।

আপনি যদি কানেক্টেড ফ্লাইটে যেতে চান তাহলে শ্রীলঙ্কান বা এয়ার এশিয়াতে অফার প্রাইসে ৪০ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকার মধ্যে যাওয়া আসার টিকিট পেয়ে যাবেন। কানেক্টেড ফ্লাইটে সরাসরি ফ্লাইটের থেকে ভাড়া কম হয়েও সময় কিছুটা বেশি লাগে।

সিজনের সময় চাহিদা অনুযায়ী বিমানের টিকিট এর ভাড়া অনেক বেড়ে যায় তাই আপনি যদি বাজেট ফ্রেন্ডলি ভ্রমণ পিপাসু হয়ে থাকেন তাহলে অফ সিজিনে যাওয়ার পরামর্শ আমি দিবো।

টিপসঃ অবশ্যই সকল কাজ নিজে নিজেই মোবাইল ফোনের মাধ্যমে করবেন দালাল বা কম্পিউটারে দোকানে যাওয়ার দরকার নাই তাহলে এক্সট্রা খরচ থেকে বেঁচে যাবেন।

(ভিসার নিয়ম পরিবর্তন হতে পারে তাই আগে মালদ্বীপের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আপডেট খবরগুলো দেখুন)

বর্তমানে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কোন কোন দেশের কাজের ভিসা খোলা আছে?

বর্তমানে বিশ্ব শ্রমবাজার এনালাইসিস করলে দেখা যায় বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য অনেক দেশের কাজের ভিসা চালু আছে। ২০২৬ সালে এসে দেখা যাচ্ছে গত কয়েক বছরের তুলনায় এই বছর ইউরোপীয় ও দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোতে ভিসার সাকসেস রেট অনেক বেশি।

নিচে আমরা ২০২৬ সালে বাংলাদেশি কর্মীদের জন্য কোন কোন দেশের কাজের ভিসা খোলা আছে তার চেকলিস্ট দিলাম।

দেশবর্তমান ভিসা ও কাজের সুযোগ
রোমানিয়াবাংলাদেশিদের জন্য বর্তমান সময়ে রোমানিয়া অন্যতম চয়েস হতে পারে। এই বছর রোমানিয়া ভিসা সাকসেস রেট অনেক বেশি বাংলাদেশিরা এখানে কনস্ট্রাকশন, হোটেল, রেস্টুরেন্ট, ফ্যক্টরি সেক্টর ও ক্লিনিং সেক্টরে কাজের জন্য যাচ্ছে।
বুলগেরিয়া ও বেলারুশবাংলাদেশি কর্মীদের কৃষি, গার্মেন্টস ও কারখানায় কাজের জন্য এই বছর নতুন করে ওয়ার্ক পারমিট ভিসা ইস্যু করছে।
ইতালিইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় দেশ ইতালি বর্তমানে সিজনাল ও নন-সিজনাল বা স্পন্সর ভিসায় বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিচ্ছে কৃষি ও হোটেল ম্যানেজমেন্টের জন্য।
নেদারল্যান্ডসযারা নেদারল্যান্ডসে যেতে চান তাদের জন্য ভালো খবর হলো তারা কৃষি ও লজিস্টিক কাজের জন্য সিঙ্গেল ভিসার মাধ্যমে লোক নিচ্ছে।
জাপানএকটা কথা সবার জানা আছে বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু রাষ্ট্র জাপান তারা ২০২৯ সাল পর্যন্ত বিশাল জনসংখ্যা বিদেশ থেকে নিয়োগ দিবে। আর এই জনসংখ্যার বড় অংশ বাংলাদেশ থেকে নিতে চলেছে।

তারা মূলত স্পেসিফাইড স্কিলড ওয়ার্কার নিয়োগ দিচ্ছে। জাপানি ভাষা জানা থাকলে বর্তমানে কেয়ারগিভার, নার্সিং ও প্রযুক্তি সেক্টরে কাজের জন্য খুব সহজে ভিসা পাওয়া যাচ্ছে।
মালদ্বীপ ও ব্রুনাইএই দুটি দেশে হোটেল বয়, কনস্ট্রাকশন ও ড্রাইভিং কাজের জন্য বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা খোলা আছে।
সৌদি আরববাংলাদেশিদের জন্য শ্রম বাজারে সবথেকে বড় বাজার হলো সৌদি আরব। এখানে ড্রাইভিং, টেকনিক্যাল কাজ ও ক্লিনিংয়ের জন্য বাংলাদেশিদের জন্য ভিসা খোলা আছে। তবে ২০২৬ সালে এসে আকামা ও প্রফেশনাল টেস্ট বাধ্যতামূলক করে দিয়েছে।
জর্ডানবাংলাদেশের নারী গার্মেন্টস কর্মীদের জন্য বড়ো সুযোগ হলো জর্ডান যাওয়া। বয়েসেলের মাধ্যমে সরকারি ভাবে কোনো দালাল বা তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই প্রতি মাসেই জর্ডানে কর্মী পাঠানো হচ্ছে।
UAE (দুবাই)দুবাইয়ে সাধারণ কাজের ভিসা লিমিটেড হলেও কাজে দক্ষ যেমন ইঞ্জিনিয়ার, প্রযুক্তি সম্পর্কে দক্ষদের জন্য ভিসা চালু আছে। এছাড়া গোল্ডেন ভিসা পুরোপুরি স্বাভাবিক ভাবেই চালু আছে।

বোনাস টিপসঃ বর্তমান সময়ে বিদেশে ওয়ার্কিং ভিসায় যাওয়া বাংলাদেশিদের বাংলাদেশ সরকার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সকল সহায়তা প্রদান করে থাকে। 

তাই দালালের প্রতারণা এড়াতে বিদেশে কাজ করতে যাওয়ার আগে অবশ্যই প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে যোগাযোগ করে নিবেন।

ওমান ভিসা কবে খুলবে ২০২৬: বর্তমান আপডেট

২০২৩ সালের শেষের দিকে বাংলাদেশিদের জন্য ওমান ভিসা বন্ধ হয়ে যায় তার পরে থেকেই আমরা ওমান ভিসা কবে খুলবে এই প্রশ্নটি বিভিন্ন মহলে করে আসছি। তবে ২০২৬ সালে পুরোপুরি ভিসা না খোলা হলেও বিশেষ কিছু ভিসা পাওয়া যাচ্ছে। 

যেমন, টুরিস্ট ভিসা, ব্যবসায়িদের জন্য ইনভেস্টর ভিসা অর্থাৎ ওমানে গিয়ে যারা ব্যবসা করবে তারা ব্যবসা ক্ষেত্রে টাকা ইনভেস্ট করার মাধ্যমে ভিসা পাবে। এছাড়াও রেসিডেন্স ভিসায় ওমান ভ্রমণের সুযোগ থাকথে যারা জিসিসি ভুক্ত দেশে থাকে তাদের জন্য। আপনার পরিবারের কেউ যদি ওমানে থাকে সেক্ষেত্রে ফ্যামেলি জয়েনিং ভিসা পেতে পারেন

(ভিসা নিয়ম সবসময় পরিবর্তনশীল তাই ওমানের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আপডেট খবরগুলো দেখে নিবেন)

২০২৬ সালে দুবাই ভিজিট ভিসার দাম ও নিয়মাবলী

বর্তমানে বাংলাদেশিদের কাছে দুবাই বা সংযুক্ত আরব আমিরাতের ভিসা খুবই জনপ্রিয়। বর্তমান সময়ে বাংলাদেশ থেকে প্রচুর মানুষ দুবাই ঘুরতে যান। দুবাই ভিজিট ভিসা তিন মেয়াদি হয়ে থাকে সেগুলো হলো ১ মাস ও ২ মাস মেয়াদি ভিসা।

আরেকটি বিশেষ ভিসা চালু আছে সেটি হলো ৫ বছরের জন্য যেই ভিসার মাধ্যমে প্রতিবছর সর্বোচ্চ ৯০ দিন বা তিন মাস থাকা যায়। তবে এই ভিসা গ্রহণের জন্য আপনার পূর্বে ট্রাভেলের রেকর্ড খুব ভালো থাকতে হবে এবং মোটা অংকের টাকা দেখাতে হবে।

নিচে ২০২৬ সালে দুবাই ভিজিট ভিসার দামের চেকলিস্ট দেয়া হলোঃ

১/ ৩০ দিন বা ১ মাস মেয়াদি ভিসা: যারা অল্প দিনের জন্য দুবাই বেড়াতে যেতে চান তাদের জন্য সেরা এই ভিসা। এই ভিসা করার পরে ৬০ দিন মেয়াদ থাকে তবে দুবাই গিয়ে ৩০ দিনের বেশি থাকতে পারবেন না। দুবাই ভিসার দাম হলোঃ

  • সরকারি বা অফিসিয়াল খরচঃ দুবাই ইমিগ্রেশন ও এমিরেটস এয়ারলাইন্সের সর্বশেষ হালনাগাদ কৃত তথ্য অনুযায়ী ইন্সুইরেন্সসহ এই ভিসার দাম বা ফি ৯০ ইউএস ডলার।
  • বাংলাদেশি এজেন্সি খরচঃ কোনো এজেন্সির মাধ্যমে আপনি যখন দুবাই যাবেন তখন আপনাকে এজেন্সির খরচ দিতে হবে এই খরচ ভ্যাটসহ ১৫৫০০ টাকা থেকে ১৭৫০০ টাকা পর্যন্ত হয়ে থাকে। কোনো শিশু থাকলে ৫৫০০ থেকে ৬৫০০ টাকা খরচ হয়।
২/ ৬০ দিন বা দুই মাস মেয়াদি ভিসাঃ এই ভিসাটি সাধারণ যারা একটু বেশিদিন থেকে পুরো UAE কান্ট্রি ঘুরে দেখতে চান তাদের জন্য অনেক ভালো একটি চয়েস হতে পারে। এই ভিসার খরচ হলো:

  • সরকারি বা অফিসিয়াল খরচঃ সর্বশেষ হালনাগাদ কৃত তথ্য অনুযায়ী ইন্সুইরেন্সসহ এই ভিসাটির খরচ বা ভিসা ফি হলো ১৭৭ ইউএস ডলার।
  • বাংলাদেশি এজেন্সি ফিঃ এই ভিসা করতে বাংলাদেশের এজেন্সি কোম্পানিগুলো সকল সার্ভিস চার্জ ও ভ্যাটসহ ২৪০০০ টাকা থেকে ২৬৫০০ টাকা নিয়ে থাকে।

বিশেষ সতর্কতাঃ দুবাই যাওয়ার ভিসা রিজেকশন এড়ানোর জন্য অবশ্যই সর্বনিম্ন প্রয়োজনীয় শো মানি থাকতে হবে। এক্ষেত্রে ৮০০ ইউএস ডলার থেকে ১০০০ ইউএস ডলার শো মানি থাকা অত্যন্ত জরুরি। 

(ভিসার নিয়ম পরিবর্তন হতে সময় লাগেনা তাই ভিসা আবেদন করার আগে দুবাইয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আপডেট তথ্য দেখে নিন)

সৌদি আরব নতুন ভিসার নিয়ম ২০২৬ ও কাজের সুযোগ

সৌদি আরব তাদের ভিশন ২০৩০ এর আওতায় প্রচুর কর্মী নিয়োগ দিবে বর্তমানেও চলমান রয়েছে। সৌদি আরব শ্রম বাজারের দিক দিয়ে বাংলাদেশিদের কাছে অনেক জনপ্রিয়।

বর্তমানে সৌদি আরব ভিশন ২০৩০ কে সামনে রেখে পূর্বের প্রফেশনাল ও নন-প্রফেশনার ভিসার নিয়ম বাতিল করে নতুন করে স্কিল বেজ ওয়ার্ক পারমিট ভিসা চালু করেছে। এতে আগের থেকে অনেক কড়াকড়ি হয়ে গেছে সৌ আরব ভিসা পাওয়া।

২০২৬ সালে এসে সৌদি আরবে নতুন ওয়ার্ক পারমিট বা আকামা (IQAMA) ইস্যু ও রিনিউ করা কর্মীদের তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে সেগুলি হলো:

  • হাইলি স্কিলডঃ এই ক্যাটেগরি কর্মীদের মধ্যে পড়েন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, কর্পোরেট ম্যানেজার ও আইটি স্পেশালিস্ট এবং এই ক্যাটেগরিতে চাকরি পেতে ন্যূনতম পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা প্রয়োজন আর বেতন হবে ন্যূনতম ১৫০০০ রিয়াল।
  • স্কিলডঃ এই ক্যাটেগরিতে পড়েন সুপারভাইজার, টেকনিশিয়ান, এসি মেকানিক, প্লাম্বার এবং ইলেক্ট্রিশিয়ানরা। এই ক্যাটেগরিতে চাকরি করতে হলে আপনার থাকতে হবে ভোকেশনাল সার্টিফিকেট অথবা ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং ২ বছরের বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা আর বেতন হবে ৭০০০ থেকে ১৪৯৯৯ রিয়াল পর্যন্ত। 
  • সাধারণ বা বেসিকঃ এই ক্যাটেগরিতে মূলত রাখা হয়েছে এন্ট্রি লেভেলের কর্মীদের এবং সাধারণ লেবার শ্রেণির মানুষদের। এই ভিসা পেতে হলে শিক্ষাগত যোগ্যতা দরকার হবে না কিন্তু বয়স অবশ্যই ৬০ এর নিচে হতে হবে আর বেতন হবে ৩০০০ থেকে ৬৯৯৯ রিয়াল পর্যন্ত। 
(ভিসার নিয়ম পরিবর্তনশীল তাই সৌদি যাওয়ার আগে অবশ্যই সৌদির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে ভিসা আবেদনের তথ্য দেখে নিন)

২০২৬ সালে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা এবং বর্তমান সাকসেস রেট

বর্তমানে রোমানিয়া একটি সেনজেন ভুক্ত দেশ আর যার কারণে এই দেশের জনপ্রিয়তা বর্তমানে অনেক গুনে বেড়ে গেছে। জনপ্রিয়তা বাড়ার সাথে সাথে ভিসা প্রসেসিংয় নিয়মেও এসেছে অনেক পরিবর্তন এবং নিয়মগুলো অনেক কড়াকড়ি হয়ে গেছে।

বর্তমানে ২০২৬ সালে রোমানিয়া ওয়ার্ক পারমিট ভিসা নেয়া তাদের কোম্পানি গুলো থেকে অনেকটা সহজ হলেও সেই পারমিট দিয়ে ভিসা করা অনেক কঠিন ও সময়সাপেক্ষ বিষয় হয়ে গেছে।

এর মূল কারণ হলো রোমানিয়াকে অনেকে ইউরোপের এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে কাজে লাগাতে চাই তারা প্রথমে রোমানিয়া গিয়ে এর পরে ইউরোপের অন্য দেশে পালানোর চেষ্টা করে। যার কারণে রোমানিয়া তাদের ইমিগ্রেশন সিস্টেম অনেক কঠিন করে দিয়েছে।

বাংলাদেশ কনসুলেট ও দিল্লি কনসুলেটের মাধ্যমে ভিসা পাওয়ার সাকসেস রেট

আপনি যদি বাংলাদেশে অবস্থিত রোমানিয়া এম্বাসির মাধ্যমে ভিসার আবেদন করতে চান তাহলে বলে রাখি নিয়মিত সবসময় বাংলাদেশে রোমানিয়া এম্বাসি খোলা থাকেনা। 

খুব কম সময়ের জন্য মাঝেমধ্যে খোলা থাকে আর সেসময় যদি ভিসা আবেদন করেন তাহলে ১০০% কাগজপত্র ঠিক থাকে তাহলে বাংলাদেশ থেকে রোমানিয়া ভিসা পাওয়ার সাকসেস রেট ৬০%-৭০%। 

বাংলাদেশে সবসময় রোমানিয়া এম্বাসি খোলা না থাকার কারণে অনেকে দিল্লি থেকে ভিসা আবেদন করতে চান সেক্ষেত্রেও আপনার যদি ভাষাগত ন্যূনতম কোনো সমস্যা থাকে তাতেও সরাসরি ভিসা রিজেক্ট করে দেয় এবং দিল্লি থেকে রোমানিয়া ভিসা পাওয়ার সাকসেস রেট ৪৫% থেকে ৫০%।

ভিসা রিজেকশনের মূল কারণঃ ভিসা রিজেকশনের বেশ কিছু কারণ রয়েছে তার মধ্যে মূল কারণ হলো ভুয়া কোম্পানি ওয়ার্ক পারমিট সাবমিট করা, এজেন্সির ভুল ভাবে আবেদন করা এছাড়াও রোমানিয়া ও ইংরেজি ভাষায় সাধারণ প্রশ্নের উত্তর দিতে না পারা।

(ভিসার নিয়ম পরিবর্তনশীল তাই আবেদনের আগে রোমানিয়ার অফিসিয়াল ওয়েবসাইট থেকে আপডেট তথ্য দেখে নিন)

উচ্চশিক্ষা ও স্টুডেন্ট ভিসা ট্রেন্ড ২০২৬

জার্মানিঃ বাংলাদেশি স্টুডেন্টদের জন্য ২০২৬ সালে এসেও জার্মানি অত্যন্ত জনপ্রিয় উচ্চশিক্ষার জন্য এবং জার্মানি একটি নিরাপদ জায়গা হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশিদের জন্য জার্মানি স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার সাকসেস রেট ৮০% থেকে ৮৫%।

তবে আবেদনের পরে সমস্যা হলো ঢাকার জার্মানি এম্বাসিতে আপনার স্লটের জন্য ৪ থেকে ৭ মাস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হতে পারে। তবে আপনার কাছে ১ বছরের লিভিং কস্ট বা খরচ (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা) থাকলে সহজে ভিসা পেয়ে যাবেন।

ইউকেঃ বাংলাদেশিদের মাঝে স্টুডেন্ট ভিসায় ইউকে তে অনেকেই যেতে চান তবে বর্তমানে ইউকে ভিসা আবেদনে অনেক কড়াকড়ি নিয়ম করা হয়েছে। বাংলাদেশ থেকে ইউকে (UK) স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার সাকসেস রেট ৫০% থেকে ৫৫%।

অষ্ট্রেলিয়াঃ এই দেশে স্টুডেন্ট ভিসায় পড়তে যেতে হলে অনেক কড়াকড়ি নিয়ম অনুযায়ী ভিসা আবেদন করতে হবে এবং বাংলাদেশিদের জন্য অষ্ট্রেলিয়ার ভিসা পাওয়ার সাকসেস রেট ৪০% থেকে ৪৫% যার কারণে অষ্ট্রেলিয়ায় স্টুডেন্ট ভিসায় যাওয়া এখন অনেক কঠিন হয়ে গেছে।

২০২৬ সালে ভিসা রিজেকশন এড়াতে জরুরি সতর্কতা

আগের সময়ে ইমিগ্রেশন সিস্টেম ম্যানুয়াল থাকার কারণে অনেক সময় ছোটখাটো সমস্যা থাকলে বা ভুল করলেও ভিসা এপ্রুভ হয়ে যেতো। কিন্তু ২০২৬ সালে এসে প্রায় গোটা বিশ্বের ইমিগ্রেশন সিস্টেম এআই ভিত্তিক ও সেন্ট্রাল ডেটাবেসে চলে গেছে।

যার কারণে এখন সামান্য ভুল হয়ে পড়ছে ভিসা রিজেকশনের কারণ। এটি এড়ানোর জন্য করনীয় দেয়া হলো:

  •  ভুয়া ব্যাংক স্টেটমেন্ট ব্যবহার করবেন না।
  • যে দেশে যাবেন সেই দেশের ভাষা সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখবেন সাথে ইংরেজি ভাষা ভালো করে শিখতে হবে ইউরোপের দেশগুলোতে যেতে এটি বেশি প্রয়োজন। 
  • এখন অনেক দেশের ইমিগ্রেশন সোশাল মিডিয়া প্রফাইল চেক করে তাই কখনো সোশাল মিডিয়াতে উগ্রপন্থী পোস্ট করবেন না।
  • ভুয়া হোটেল বুকিং ও ডামি এয়ার টিকিট সাবমিট করা থেকে বিরত থাকুন। প্রযুক্তির বর্তমান যুগে কোনটা ভুয়া আর কোনটা আসল তা ধরার অনেক উন্নত প্রযুক্তি রয়েছে। 
  • ভুয়া এজেন্সির খপ্পরে পড়বেন না ভিসা রিজেকশন এড়াতে অবশ্যই রেপুটেশন ভালো এমন এজেন্সির মাধ্যমে ভিসা আবেদন করুন।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্নাবলী (FAQ)

প্রশ্ন ১: ভিসা ফ্রি দেশে যেতে কত ডলার এন্ডোর্স করতে হয়?

উত্তরঃ ভিসা ফ্রি দেশে যেতে কত ডলার লাগে এটি নির্দিষ্ট নাই একেক দেশে একেক খরচ হয়। আপনি কোন দেশে যাচ্ছেন সেই দেশের নিয়ম অনুযায়ী কত ডলার এন্ডোস করতে হয় তা নির্ভর করে।

প্রশ্ন ২: ২০২৬ সালে মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা কি চালু আছে?

উত্তরঃ সর্বশেষ আপডেট পাওয়া পর্যন্ত ২০২৬ সালে মালয়েশিয়ার কলিং ভিসা বন্ধ আছে।

প্রশ্ন ৩: ২০২৬ সালে কোন দেশের স্টুডেন্ট ভিসা সহজে হচ্ছে?

উত্তরঃ বাংলাদেশিদের জন্য ২০২৬ সালে অস্ট্রিয়া, ফিনল্যান্ড, জার্মানিসহ হাঙ্গেরিতে স্টুডেন্ট ভিসা সহজ হচ্ছে। 

শেষকথা

আশা করি আমাদের পোস্টটি পড়ে ২০২৬ সালে বাংলাদেশিদের জন্য কোন কোন দেশের ভিসা খোলা আছে, ভিসা রিজেকশন এড়ানোর নিয়মসহ সকল তথ্য জানতে পেরেছেন। 

বর্তমান সময়ে টুরিস্ট ভিসা, ওয়ার্ক পারমিট ভিসা বা স্টুডেন্ট ভিসা করার ক্ষেত্রে আইন কড়াকড়ি করা হয়েছে এখন কাগজপত্র বা নিয়মের সামান্য গড়মিল হলেই ভিসা রিজেক্ট হয়ে যাচ্ছে। তাই আপনি যদি কোনো দেশে যেতে চান তাহলে অবশ্যই আপনার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ঠিকঠাক আছে কিনা দেখে নিন।

পাঠকদের জন্য পরামর্শঃ আপনি যদি বাইরের দেশে যেতে চান তাহলে ভিসা আবেদন করার আগেই যে দেশে যাবেন সে দেশের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আপডেট খবরগুলো দেখে নিবেন।

লেখক পরিচিতি,
নাম: মোঃ আব্দুর রাকিব 
আমি একজন প্রফেশনাল কনটেন্ট রাইটার। আমি সবসময় অফিসিয়াল তথ্য ভেরিফাই করে কনটেন্ট তৈরি করি।

বাংলাদেশ সরকারি সেবা গুলো আপনার কাজে লাগাতে পারেঃ

Comments

Popular posts from this blog

মোটরসাইকেল ট্যাক্স টোকেন নবায়ন ফি কত টাকা ২০২৬

মোটরসাইকেল মালিকানা পরিবর্তন ফি কত ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং নিয়ম ২০২৬

চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশন হোল্ডিং ট্যাক্স দেখার ও পরিশোধের নিয়ম ২০২৬